প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

১৯৪৬ সালের ১৭ জানুয়ারি দৌলতপুর গ্রাম নিবাসী স্বর্গীয় পুলিন চন্দ্র সাহা, রামচন্দ্র সাহা, অভয় চরণ সাহা ও দ্বিগেন্দ্র মোহন সাহা তাদের মায়ের পূণ্য স্মৃতি ধরে রাখার জন্য দৌলতপুর বাজারের সাথে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের মা প্রমোদা সুন্দরী কবে বৈকুন্ঠে গমন করেন, তার জন্ম কবে হয়েছিল কোথায় হয়েছিল তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি। অনুমান করা যায় ১৯৪৬ সালের ১৭ জানুয়ারি যেহেতু বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়, কাজেই তার আগের বছর, মানে ১৯৪৫ সালে কিংবা তার আগে তিনি দেহ ত্যাগ করেছিলেন। প্রমাদা সুন্দরীর স্বামী দিনোনাথ সাহার ছিলো পাটের ব্যবসা। সাথে ছোট জমিদারি ও ছিল । পাট গুদামের একটি ঘর সরিয়ে এনে বিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছিল। বিদ্যালয়ের নামে মোট জমি দেয়া হয়েছিল ৬.৮৫ একর । দ্বীন নাথ সাহার পরিবারের ঠিকানা খুজে পাওয়া যায়নি। শুধু মাত্র বংশ পরস্পরায় নাম সমুহ পাওয়া যায়। কুলিন চন্দ্র সাহার একমাত্র মেয়ে যোগমায়া সাহার পাচ কন্যা, কন্যাদের অন্য স্থানে বিয়ে হওয়াতেই এই পরিবারে তাদের কোন রকম তথ্য আর সংরক্ষণ করা হয় নি। রামচন্দ্র সাহার একমাত্র ছেলে হেমচন্দ্র সাহা। হেমচন্দেোর চার ছেলে দুই মেয়ে। তাদের নাম হিমাংশু কুমার সাহা, হিতাংশু কুমার সাহা, সুধাংশ কুমার সাহা, সুবাস কুমার সাহা, আলো রানী সাহা, বন্ধনা রানী সাহা। হিমাংশু কুমারের দুই ছেলে তিন মেয়ে। শুশান্ত সাহা , প্রশান্ত সাহা, শিপ্রা রানী সাহা, শিখা রানী সাহা,সীমা রানী সাহা। হিতাংশু কুমারের এক ছেলে এক মেয়ে তাদের নাম পাওয়া যায়নি। সুধাংশু কুমারের এক ছেলে এক মেয়ে। সুজন কুমার সাহা ও সাথী রানী সাহা । সুভাস কুমারের দুই ছেলে বীথি রানী সাহা ও তিথি রানী সাহা। অভয়চরণ সাহা নি:সন্তান। তিনি স্ত্রীকে রেঝে বৈকন্ঠে গমন করেন তার স্ত্রীর নাম জানা যায় নি। দ্বীগেন্দ মোহন সাহার এক ছেলে ও চার মেয়ে তারা হলেন চন্দ্র মোহন সাহা , জুই বালা সাহা, বীণা সাহা, টেপি রানী সাহা, আরতী রানী সাহা। চন্দ্র মোহন সাহার এক ছেলে, তিন মেয়ে, তারা হলেন ধীরাজ সাহা অনীতা রানী সাহা, শিউলী সাহা ও পাখি সাহা ধীরাজ সাহার এক ছেলে। তার নাম ধীমান সাহা। হিমাংশু কুমার সাহার মেয়ে শিপ্রা সাহা উকালতি করেন মানিকগঞ্জ জর্জ কোর্টে।